শূন্য হাতে এলাম, ডাক হাতে ফিরি

0
শূন্য হাতে এলাম, ডাক হাতে ফিরি

১৮৮৬ সালের ১৭ জুলাই প্রিন্স অব ওয়েলস শখের বসে ক্রিকেট খেলতে নামলে আউট হয়ে যান শূন্য রানে। রানের খাতা খোলার আগেই যুবরাজের আউট হয়ে যাওয়া নিয়ে পরেরদিন সংবাদপপত্রে আসে;

“The prince had retired to the royal pavilion on a duck’s egg.”

শূন্যের সাথে হাসের ডিমের সাদৃশ্য থাকার দরুন এই নাম দেওয়া। ‘ডাকস এগ’ সময়ের সাথে সাথে সংক্ষিপ্ত হয়ে বনে যায় শুধু ডাক। ক্রিকেট খেলতে নেমে কেউ শূন্য রানে আউট হলেই এখন সে ডাক মেরে ফেরে।

কিছু ডাক রেকর্ডস : টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৪৩টি ডাক মেরেছে কোর্টনি ওয়ালশ। কিউই পেসার ক্রিস মার্টিন টেস্টে ডাক মেরেছে ৩৬টি। টেস্টে ম্যাকগ্রার ডাক ৩৫টি, শেন ওয়ার্নের ডাক ৩৪টি, মুরালির ডাক ৩৩টি।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ডাক মেরেছে আশরাফুল ১৬টি; মাশরাফী ডাক মেরেছে ১২টি। খালেদ মাসুদ পাইলটের ডাক ১১টি।

পক পক পক পক

ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক ৩৪টি ডাক মেরেছে সনাৎ জয়সুরিয়া। জয়সুরিয়ার চেয়ে ৪৭টি ওয়ানডে কম খেলে আফ্রিদি ডাক মেরেছে ৩০টি। ওয়াসিম আকরাম, মাহেলা জয়াবর্ধনে ডাক মেরেছে ২৮টি।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক ওয়ানডে ডাক মেরেছে হাবিবুল বাশার ১৮টি। তামিমের ডাক ১৭টি, রফিক ও মাশরাফীর ডাক ১৫টি।

আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক ডাক মেরেছে তিলেকারত্নে দিলশান; ১০টি ডাক মেরেছে দিলশান। লুক রাইট, কেভিন ও’ব্রায়েন ৯টি ডাক মেরেছে। থিসারা পেরেরা, ওমর আকমল, শহীদ আফ্রিদি মেরেছে ৮টি ডাক।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬টি ডাক মেরেছে মাশরাফী, সৌম্য ও তামিম।

টেস্ট, ওয়ানডে ও টি২০ ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ডাক স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরনের; ৩২৮ ইনিংসে ৫৯ টি ডাক। ২৬৪ ইনিংসে ৫৪ ডাক নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে কোর্টনি ওয়ালস। ৬৫১ ইনিংসে ৫৩ ডাক সনাথ জয়সুরিয়ার।

বাংলাদেশের পক্ষে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বাধিক ৩৩টি ডাক মেরেছে মাশরাফী। মোহাম্মদ আশরাফুল ও তামিমের ডাক ৩১টি।

ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট হচ্ছে শহীদ আফ্রিদি একমাত্র ক্রিকেটার যার কিনা ওয়ানডে, টেস্ট, টি২০, আইপিএল, বিপিএল, পিএসএল, এপিএল, টি২০ ব্লাস্ট এবং আইস ক্রিকেটে ডাক রয়েছে। এমনকি নিজের জন্মদিনেও ডাক মেরেছে আফ্রিদি!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here